This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০১৪

এইসব পোলারে লাইত্থাইয়া পুরুষত্ব নষ্ট করে দেয়া উচিত

আজ রাস্তায় এক পোলারে এক মাইয়ার
সামনে কানে ধইরা দাড়ায়া থাকতে দেখলাম, সাথে আকুতি মিনতি। এইসব পোলারে লাইত্থাইয়া পুরুষত্ব নষ্ট করে দেয়া উচিত। আর এইসব মাইয়ারে বন চটকানা মারা উচিত। নিজের বিএফ রে জোকার হিসেবে সবার সামনে উপস্থাপন করে X(

শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০১৪

জীবনে চলার পথে তোমাকে শিশির ভেজা পথ বেছে নিতে হবে

পিচঢালা পথে খালিপায়ে কিছুক্ষন হাটলে সারাদিন পায়ের নিচে বিরক্তিকর জ্বলুনি তৈরী হবে।

শিশির ভেজা পথে খালি পায়ে কিছুক্ষন হাটলে অদ্ভুত প্রশান্তি ভর করবে পুরো দেহে।

জীবনে চলার পথে তোমাকে পিচঢালা পথ আর শিশির ভেজা পথ বেছে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৪

ছেলেদের চোখে একটি মেয়েকে খুব সহজেই ভালো লেগে যেতে পারে

ছেলেদের ক্ষেত্রে একটি মেয়েকে খুব সহজেই ভালো লেগে যেতে পারে কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে সেটি হয়না। তাদের চোখে খুব সহজেই একটি ছেলেকে ভালো লেগে যায়না। একটি মেয়েকে অনেকগুলো ছেলে পছন্দ করবে বিষয়টা খুব স্বাভাবিক আর এজন্য মেয়েদের আহামরী কোনো গুণ লাগেনা। কিন্তু একটি ছেলেকে যখন কিছু মেয়ে পছন্দ করে তখন বুঝতে হবে তারা এমনি এমনি করে না। নিশ্চয়ই তার মাঝে বিশেষ কিছু খুজে পায়। আর এই বিশেষ কিছু নিয়েই সেই ছেলেটি যদি আত্মতৃপ্তিতে ভোগে তবে সেটা দোষের কিছু না। এটাই হয়ত তার বিশেষত্ব।

বুধবার, ৯ জুলাই, ২০১৪

পুলককে নিয়ে হয়েছে জ্বালা

আমার এক দোস্তরে নিয়ে হইছে আমার জ্বালা। ও নিজে অংক ভুলে করে কিছুক্ষন পর আমাকে বলবে, "এই অংক এই জায়গায় ভুল কেন? খেয়াল করিস নি?"

আবার কোন সুন্দরী মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকার পর আমাকে বলবে, "এই তুই এত শয়তান কেন?" অথচ সে সময় আমি অন্যকাজে ব্যস্ত থাকি

সোমবার, ৭ জুলাই, ২০১৪

সুঁইয়ের মাথায় সুঁতা পরাতে গেলে জীবনেও সেলাই করা সম্ভব নয়

দেশের উপকারের জন্য যেখানে দেশপ্রেম ও নীতি দেখানো জরুরি সেসব ক্ষেত্রে আমরা সাদাকালো যুগের নির্বাক চলচ্চিত্র।

আর সেসব ক্ষেত্রে আমরা দেশপ্রেমিক হয়ে যাই, নীতিবান হয়ে যাই যে দেশপ্রেম দেশের ক্ষতি করে।

চামের উপ্রে দুইবারই আমরা দেশকে ধোকা দেই, একবার নীতিহীন থেকে আরেকবার নীতি দেখিয়ে।

সুঁইয়ের মাথায় সুঁতা পরাতে গেলে জীবনেও সেলাই করা সম্ভব না 

মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

আগেই কইছিলাম পেপেতে ভরসা নাই

আগেই কইছিলাম পেপে টেপে তে ভরসা নাই। যদি কাঠাল কিংবা বেল রে নামাইতো তাইলে রেফারীর বাপের ক্ষমতা ছিলনা লাল কার্ড দেয়ার্। কাঠাল কিংবা বেলই রেফারীরে হলুদ কার্ড দিতো।
আর এই মূলা তো চিরকালই গোল দিয়া সাদা কইরা দিলো তাও পুলাপাইন কয় মূলাতে গ্যাস

বুধবার, ১১ জুন, ২০১৪

বিশ্বকাপ ফুটবলে পতাকার বিকল্প

আপনি একটা আকাশী রঙের কাপড়ে সাদা অক্ষরে  "আর্জেন্টিনা" লিখে বাড়ির ছাদে উড়াতে পারেন, আপনি একটা সবুজ রঙের  কাপড়ে হলুদ অক্ষরে "ব্রাজিল" লিখে বাড়ির ছাদে উড়াতে পারেন। চাইলে সাথে তাদের ফুটবল ফেডারেশনের লোগোও দিতে পারেন। হয়ে গেল আপনার সমর্থন দেখানো। কি দরকার বলার, "আমরা পতাকা উড়িয়ে কোন টিম কে সমর্থন দেই সেটা প্রমান করি"?
তার চেয়ে বরং এ আইডিয়াটা কাজে লাগান। আপনি যদি পর্তুগালের পতাকা উঠান তবে কেউ চিনবে না, ইতালি, জার্মানীও অনেকে চিনবে না। বরং সাদা কাপড়ে লিখে দিলে সবাই বুঝতে পারবে।

সোমবার, ২৬ মে, ২০১৪

আমাদেরও কি নেপাল আর পাকিস্তানের মত পরিণতি হবে?

"আমি শুধু চেয়েছি তোমায়" সুপার ডুপার হিট। আর একারনেই কিছু চামচা মিডিয়া যৌথ প্রযোজনার পক্ষে সাফাই গাইছে। তারা কি জানেনা পাকিস্তান আর নেপালের পরিণতি? আমাদের সিনেমা তো তাও টিকে আছে। ভারতীয় সিনেমার গ্রাসে পাকিস্তান আর নেপালের সিনেমা যে ধ্বংস হয়ে গেছে এটা কি তাদের চোখে বাধে না? নাকি দাদাদের জলসা তে আমন্ত্রনের প্রতিদান স্বরূপ তারা চায় আমরাও নাম লেখাই পাকিস্তান আর নেপালের কাতারে?

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

যে যেমন রেজাল্ট করেছে তাকে সেটার জন্যই শুভেচ্ছা জানানো উচিত


ভাই থামেন। প্লাস পাওয়া সবাই কিন্তু
প্রশ্ন পাইয়া প্লাস পায়নাই যে তাদের
নিয়ে ট্রল করবেন। আপনাদের
কথাবার্তা শুইনা মনে হয় আগের আমলেই সব
মেধাবী ছিল, এখন প্রশ্ন ছাড়া কেউ
প্লাস পাইতে পারে না। বরং মেধাবীর
সংখ্যা আগের থেকে বেড়েছে। একটু জটিল
টাইপের ক্রিয়েটিভ প্রশ্ন শিক্ষকরাও সলভ
করতে হিমশিম খায়। যারা স্ট্যাটাস
দিচ্ছেন তাদের আমলে কিন্তু এই
ক্রিয়েটিভ প্রশ্ন ছিল না যেইগুলা সলভ
করে কিছু মেধাবী ঠিকই প্লাস
পেয়েছে।
আবার যারা প্লাস পায়নাই তাদের
উদ্দেশ্যে বলছেন প্রশ্ন পেয়েও প্লাস
পাওনাই? ছি ছি ছি।
ওই যে আগেই কইছি সবাই কিন্তু প্রশ্ন পায়
নাই। অযথা এইসব বলে মনোবল
ভেঙ্গে দেয়ার কোনো মানেই হয় না।
যে যেই রেজাল্ট করেছে তাকে সেটার
জন্যই শুভেচ্ছা জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০১৪

এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে আমাদের পাকিস্তান কে সাপোর্ট করা উচিত

এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে আমি অবশ্যই
পাকিস্তানের সাপোর্টার।
তারা সবসময় “আন”প্যারা”ডিক”টু”বল” তাই
আমি শুধুই পাকিস্তানের সাপোর্টার।
আগে গ্যালারী তে পাকিস্তানের
পতাকা নিয়ে গিয়েছি এবার হয়ত
সেটা পারবো না। এবার ১০১হাত
লম্বা পাকিস্তানের পতাকা বানাবো।
যারা ব্রাজিল
আর্জেন্টিনা নিয়ে মাতামাতি করছেন,
তাদের ঈমান নিয়ে আমার সন্দেহ হয়।
মুসলিম হিসেবে আমাদের পাকিস্তান
কেই সাপোর্ট করা উচিত

রবিবার, ১১ মে, ২০১৪

জিহাদী ভাইয়েরা আসলেই জিনিয়াস


এক খ্রীস্টান ফ্রেন্ডের বাসায়
গিয়েছিলাম। ও পুরো বাসায় একাই
থাকে। ওর বাসায় যে জিনিস টা আমার
নজরে আসছিল বারবার তা হল প্রচুর বই।
বিভিন্ন ধরণের ধর্মীয় বই ছিল।
আমাকে জানালো তার
কাছে ১০৪খানা আসমানী কিতাবের সবই
আছে। আমিও বিভিন্ন বই
নাড়াচাড়া করছিলাম। হঠাত কিছু
জিহাদী বইয়ের দিকে নজর যাওয়ায় একটু
অবাক হলাম।
জিজ্ঞেস করলাম এ বই সে কোথায়
পেয়েছে। শিবিরের কিছু
ছেলে নাকি তাকে বই গুলো দিয়েছে।
বই গুলো তে নাকি অন্যধর্মানুসারী দের
ধরো আর কতল করো এই টাইপ কথাবার্তা।
আমিও বইটার দু তিন
টা পাতা উল্টিয়ে দেখলাম। যা বুঝলাম
এদের কাছে জিহাদ আর জঙ্গীবাদের
পার্থক্য খুব কমই। তবে আর যাই হোক,
শিবির কে নি:সন্দেহে ব্রেইনওয়াশের
কারিগর বলা যায়। তারা এমন
ভাবে ব্রেইনওয়াশ করে ছেড়ে দেয়
যা সত্যিই কল্পনাতীত।
জিহাদী ভাইয়েরা আসলেই জিনিয়াস।

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০১৪

সবাই খালি এয়ারটেল এয়ারটেল করে


ভার্চুয়াল জগতে কারো কাছ থেকেই ফোন নাম্বার চাওয়া লাগেনি কখনো। ঘনিষ্ঠতা হওয়ার পর প্রয়োজনে অথবা বন্ধুত্বের খাতিরে অনেকেই নাম্বার চেয়ে নিয়েছে। আসল কথা ফোন নাম্বার চাইতে আমার একটু লজ্জাই লাগে সম্ভবত তাই বন্ধুটিকেই দায়িত্ব নিয়ে চাইতে হয়।
তো আমার ফোন নাম্বার দেয়ার পর প্রায় সবার অভিব্যক্তিই একই রকম, “তুমি জিপি ব্যবহার করো!!? এয়ারটেল নাই?” একেবারে বাচ্চাকাল থেইকা জিপি ব্যবহার করি। হালারা আমারে যে কত্ত বাঁশ দিছে তার ঠিক নাই। তবুও জিপি ছাড়িনাই। আর পোলাপাইন
খালি কয় এয়ারটেল নাই? এয়ারটেল নাই? এয়ারটেলের ভিত্রে কি আছে সেইটা আইজ পর্যন্ত বুঝলাম না। আমি বাদে প্রায় সবাইই এয়ারটেল ব্যবহার করে। এয়ারটেল একটা আছিল তয় দাঁত দিয়া কামড়াইয়া ভাইঙ্গা ফালাইছি। আর ভাইঙ্গা ফালানোর পরই
পোলাপাইনের বয়ান, “এয়ারটেল নাই
মিয়া?”
আমার পেটে কেউ এয়ার
ভইরা দে আসমানে উইড়া যাই

মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০১৪

তোমাদের চোখে ভন্ড পীরের ভন্ডামী ধরা পড়ে না (


তোমাদের চোখে ভন্ড পীরের
ভন্ডামী ধরা পড়ে না।
তারা নিজেকে “আল্লাহও”
দাবি করে বসে (নাউজুবিল্লাহ)
স্বপ্নযোগে পেয়েছি বলে ভন্ডামি করে।
নবী রাসুলদের নামেও কটুক্তি করে।
শুধুমাত্র ভন্ডপীর সেজে হাজার হাজার
মানুষ কে ধোকা দিচ্ছে। তোমাদের
চোখে এসব পড়বে না। কারন
তারা তোমাদের মৌন সম্মতিতেই
ভন্ডামী করে যায়।
তোমরা মানতে চাও না উগ্র নাস্তিকের
চেয়ে এরাই বেশি ভয়ংকর্।
আসলে তোমাদের টার্গেট দেশপ্রেমিক।
ভন্ড পীর কে কি বলবে?
তোমরা নিজেরাই ভন্ড

রবিবার, ৪ মে, ২০১৪

চলে যাচ্ছি নেটওয়ার্কের বাইরে কথাটা নিয়ে সবাই সীমাছাড়া ফাইজলামি করছে


“চলে যাচ্ছি নেটওয়ার্কের বাইরে” কথাটা নিয়ে মানুষ ফান করা আরম্ভ করেছে >_< ।
একটা কিছু হলেই আজগুবি স্ট্যাটাস
দিয়ে বসে "চলে যাচ্ছি নেটওয়ার্কের
বাইরে", কোথাও বেড়াতে গেলেও
স্ট্যাটাস দেয়,
"চলে যাচ্ছি নেটওয়ার্কের বাইরে"
ফাইজলামির একটা সীমা থাকা উচিত।
এই কথাটা লিখে স্ট্যাটাস
দেয়া মানে সাব্বির ভাইয়ের মৃত্যু
কে উপহাস করা। নূন্যতম কমনসেন্স থাকলেই
বোঝা যায় এই জাতীয় স্ট্যাটাস
কতটা ব্যাঙ্গাত্বক। যেন
"মাইরালা আমারে মাইরালা" টাইপের
একটা সরকারি ফানি উক্তি এটা তাই
সবাই এটা লিখে স্ট্যাটাস দিতে হবে।
কোন বোধ নিয়ে এই জাতীয় স্ট্যাটাস
দেয় সেটাই আমার মাথায় ঢোকে না

মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৪

এতটা ফুটবল প্রেম বিরক্তিকর


আমাদের দেশের অনেক মানুষ ফুটবল নিয়ে অনেক বেশি মাতামাতি করে। এই মাতামাতিটা হুজুগে মাতামাতি। ফুটবল বিশ্বকাপ আসলেই আমাদের বৈশ্বিক পতাকা প্রীতি বেড়ে যায়। পুরো একটা মাস নানান রঙের পতাকায় মোড়ানো থাকবে পুরো দেশ। এ থেকেও বোঝা যায় ক্রিকেট থেকেও
বিদেশী ফুটবল প্রীতিটা বেশি। নিজের দেশের পতাকা কয়দিনই বা উড়াই? পারি শুধু সবচেয়ে বড় মানব পতাকা বানাতে। পারিনা শুধু নিজের পতাকা কে ভালোবাসতে। রেডি আছি বাহারী পতাকার সমাহার দেখতে। এই মাত্রার ফুটবল প্রেম আসলেই বিরক্তিকর্। এইটা হুজুগে প্রেম

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৪

একদল মানুষের প্রতি ঘৃনা বেড়েই চলছে


একদল মানুষের প্রতি ঘৃনা বেড়েই চলেছে। আমি জানিনা এই ঘৃনা টা কতদূর পর্যন্ত যাবে। সবসময়ই মনে হয় এদের কে সর্বোচ্চ ঘৃনা করছি। কিন্তু প্রতিবারই আমি ভুল প্রমানিত হই। ঘৃনাটা বেড়েই চলে এদের প্রতিটা ঘৃনিত কাজে। জানি না আর কতবার ভুল প্রমানিত হব। এরা ধর্মের নাম
নিয়ে ধর্ষণ হালাল করে, এরা ধর্মের নাম নিয়ে মানুষ হত্যা হালাল করে। এরা ধর্মের নাম নিয়ে কিছু না বুঝেই বলে, “আল্লাহর গজব পড়েছে, ঠিক হয়েছে মারা গিয়ে। পাপের ফল। হাবিজাবি”।
এগুলো নমুনা। বিস্তারিত বিষয় টা আরো ভয়ংকর্। যারা সাধারণ ধার্মিক তারা ধর্ম পালন করে, ধর্মকে নোংড়া করার চেষ্টা করে না। তারা ধর্মকে ধর্মের বিধান অনুযায়ী পালন করে, হয়ত কিছু অপূর্ণতা থাকে। কিন্তু ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে না। ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধর্মের সাথে নিজেদের স্বার্থ মিশিয়ে প্রতিমূহুর্তে মানুষ কে ধোকা দিয়ে যাচ্ছে।
AUST এর ভাইদের মৃত্যু নিয়ে একদলের
নোংড়া মনোভাব দেখে সত্যিই এদের
প্রতি ঘৃনা বেড়ে যাচ্ছে। নিজেদের
ধার্মিক জাহির করার জন্য মৃত ব্যক্তিদের
পাপী/ঠিক হয়েছে/আল্লাহর গজব
ইত্যাদী বলে নিজেদের সংকীর্ণতার
পরিচয় দিচ্ছে।
আসলেই ঘৃনার সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠা যায়
না। এটা শুধু বাড়তেই থাকে।
ঘৃনা বাড়া মানেই খারাপ
লাগা বেড়ে যাওয়া।

শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৪

বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট


ইংল্যান্ড ২০০৯ এ টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপের হোস্ট ছিল। তারা পরবর্তী টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপ অর্থাৎ ২০১০ টি২০ ওয়ার্ল্ড
কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০১০ এ টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপের হোস্ট ছিল। তারা পরবর্তী টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপ অর্থাৎ ২০১২ টি২০ ওয়ার্ল্ড
কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা ২০১২ এ টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপের হোস্ট ছিল। তারা পরবর্তী টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপ অর্থাৎ ২০১৪ টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৪
টি টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের হোস্ট।
বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট।
[লেখাটি ০৬/০৪/২০১৪ এর]

মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০১৪

কষ্টের সীমা অতিক্রম করেছি

সাকিব বলেছিল খুব বেশি আশা না করতে। আমিও তাই খুব বেশি আশা করিনি। এত সুন্দর ক্যাপ্টেন্সী আশা করিনি, এত সুন্দর
ফিল্ডিং আশা করিনি, এত সুন্দর ব্যাটিং আশা করিনি। কথা রেখেছি সাকিব। টিমের জন্য মধ্যাঙ্গুলী বা বৃদ্ধাঙ্গুলী কেউ
দেবে না, কারন তোমরা জানো একটা চারের জন্য আমরা তোমাদের সাপোর্ট করে যাবো। একটা ছয়ের জন্য সাপোর্ট করে যাবো। শুধু মাঠে নামার জন্যও সাপোর্ট করে যাবো। কথা দিচ্ছি আর আশা করবো না। শুধু সাপোর্ট করে যাবো।
আজ বুঝলাম কষ্টেরও সর্বোচ্চ সীমা থাকে। আমি কষ্টের সর্বোচ্চ চূড়ায় আছি

বুধবার, ৫ মার্চ, ২০১৪

তবুও স্বপ্ন দেখবো


যতবারই স্বপ্ন ভাঙ্গুক আমরা বেহায়ার মত সমর্থন দিয়ে যাবো। ছি বেহায়া বললাম কেন? এটা ভালোবাসা। স্বপ্ন এর আগেও অনেকবার ভেঙ্গেছে, সেই স্বপ্ন কে জোড়া লাগিয়ে আমরা হাওয়ায় ভেসেছে। ২০১১ বিশ্বকাপ টা খারাপ গিয়েছিল, তারপরও
আমরা ভালো খেলেছিলাম। টানা হারের বৃত্তে থেকে গত ম্যাচে দারুন ব্যাটিং হয়েছে। শুধু একটি বার জয়ের ধারায় ফিরতে চাই।
তারপর সব সূদে আসলে তুলে নেবো। যখন
জিতবো তখন হারতে ভুলে যাবো। আপাতত স্বপ্ন দেখে যাবো তবে প্রকাশ করবো না। আমরা রাগ করেছি, তবে ভালোবাসা কমিয়ে দেইনি। ভালো খেলে আমাদের রাগ ভাঙ্গাও।
আমাদের আনন্দিত করো। আমাদের অভিমান টেম্পোরারি, ভালোবাসা পার্মানেন্ট। আশা করি তোমাদের বাজে খেলাটা টেম্পোরারি, ভালো খেলাটা পার্মানেন্ট হয়ে যাবে।

শনিবার, ১ মার্চ, ২০১৪

আফগানিস্থান কোনো চুদুর বুদুর টিম না


আফগানিস্থান কোনো চুদুর বুদুর
টিম না।
এই দলের অনেক বোলার
খেলোয়াড়ি জীবনে আসার
আগে হাতে গ্রেনেড ধরেছিল। এই দলের
অনেক ব্যাটসম্যান আগে স্টেনগান
নিয়ে তালেবান দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করেছিল। এই দলটাই মাঝ
বিরতি তে মাঠে নামাজ আদায় করে। এই
দৃশ্যটা সত্যিই অনেক সুন্দর্। এই টিম
টা জয়ের পর সাধারন ভাবে মাঠ
ছেড়েছে। অল্প দিনে দারুন
উন্নতি করেছে। নিউজ ফীডে তাদের
দুইটা ম্যাচে অনেক কে তালেবান
বলতে দেখেছি। তারা প্লিজ এবার অফ
যাবেন? কি কারনে তাদের তালেবান
বলছেন? আপনারা কি জানেন আফগান
রা বাংলাদেশ টিম
কে কতটা ভালোবাসে? তাদের প্লেয়ার
দের বিপিএল এ সুযোগ করে দেয়াতেই
তারা বাংলাদেশের ক্রিকেট
কে ভালোবাসে। তারা আজ সত্যিই অনেক
ভালো খেলেছে। এই টিম টা কে হেয়
করা, তাদের তালেবান বলে তিরষ্কার
করার কোনো কারন আমি দেখছি না। আজ
বাংলাদেশ খারাপ খেলেছে।
কতটা খারাপ
লাগছে বোঝাতে পারবো না।
তবে আফগানিস্থান টিম টার জন্য
রেস্পেক্ট থাকবে। তাদের জন্য
শুভকামনা।